• সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

মতলব বাইশপুর সপ্রাবি ভবন নির্মানের সাত বছরেই পরিত্যক্ত !!

আপডেটঃ : শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯

 

সফিকুল ইসলাম রিংকু:-

মতলব (দঃ) উপজেলায় ২০১১-১২ অর্থবছরে নির্মান করা হয়, ১৮৪ নং দক্ষিন বাইশপুর সপ্রাবি।অত্যন্ত নিন্মমানের নির্মানসামগ্রী আর সংশ্লিষ্টদের নজরদারির অভাবে ভবন নির্মাণের সাত বছরের মধ্যেই বিদ্যালয়ের মেঝেতে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ফাটল ও গর্ত। সেই সাথে এখনই ঝড়ে পড়ছে দেয়ালের আস্তোর। এতে চরম ক্ষোভ আর আতঙ্কে রয়েছেন অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মতলব পৌরসভার ১৮৪ নং দক্ষিণ বাইশপুর মালেক দেওয়ান-মনিরুজ্জামান সরকারি বিদ্যালয়টি ২০১১-১২ অর্থ বছরে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে একতলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। কাজটি করেন মেসার্স নুরুল ইসলাম ট্রেডার্স নামের এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

পাঁচতলা ভীত বিশিষ্ট বিদ্যালয়টির প্রথম তলা সম্পূর্ণ হওয়ার পর থেকেই ২০১৩ সাল থেকে চলছে পাঠদান। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৮০ জন শিক্ষার্থীকে ৫ জন শিক্ষক পাঠদান করে আসছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সরকারের গৃহীত বিদ্যালয় বিহীন গ্রামে ১৫শত বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় এই বিদ্যালয়টি নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিনে গতকাল  গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষের দেয়াল, মেঝে ও ছাদ চুয়ে পানি পড়ছে। এছাড়া একটি কক্ষের মাঝে বড় আকৃতির গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বেড়া দিয়ে এক পাশে ঝুঁকি নিয়ে শিশুদের ক্লাস করানো হচ্ছে। এছাড়া অফিস ও অন্য দুই কক্ষের মেঝে ফাটল রয়েছে। এতে অভিভাবকরা রয়েছেন চরম আতঙ্কে। যে কোন সময় ওই শ্রেণি কক্ষের মতই বড় গর্ত সৃষ্টি হলে দেখা দিতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও দাতা সদস্য মহসিন দেওয়ান বলেন, ভবন নির্মাণের সাত বছরের মধ্যে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা নজির বিহীন। এখনই সংস্কার করা না হলে ঘটতে পারে যে কোন দুর্ঘটনা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নুরুন নাহার বলেন, বিদ্যালয়ের কিছুদিন আগে ভবনটির জরাজীর্ণ অবস্থার ছবিসহ বিষয়টি লিখিত আকারে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান (ভুলু হাজী) ক্ষোভ নিয়ে বলেন, সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় ঠিকাদার নিজের ইচ্ছামতই নিন্মমানের নির্মানসামগ্রী দিয়ে এই বিদ্যালয়ের কাজটি সম্পূর্ণ করে। যার ফলে সাত বছর না যেতেই মেঝে ও দেয়াল খসে পড়ছে আস্তর।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম শহিদুল হক মোল্লা বলেন, এই মুহূর্তে ওই বিদ্যালয়ের বিষয়টি ফাইল না দেখে বলতে পারছি না। কাল ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশ্ন নিতে আসলে বিষয়টি জেনে নিব।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেসবুকে মানব খবর…