নিজস্ব প্রতিনিধি:
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন প্লান্টের জন্য লিকুইড অক্সিজেন চট্টগ্রাম থেকে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার পরীক্ষামূলক চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরই রোগীদের জন্য ব্যবহার হবে এই অক্সিজেন।

সোমবার রাত ৮ টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ইস্পেক্ট্রার একটি বিশাল লরিতে করে ৮ হাজার লিটার লিকুইট অক্সিজেন চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে পৌঁছায়। এরপর থেকেই দায়িত্বরত টেকনিশিয়ানরা লরির ট্রাংক থেকে অক্সিজেন প্লান্টে লিকুইড অক্সিজেন সরবরাহ শুরু করেন।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিব উল করিম বলেন, এটি খুবই আনন্দের খবর অবশেষে অক্সিজেন প্লান্টের জন্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষার লিকুইড অক্সিজেন আমাদের হাসপাতালে পৌঁছেছে। এটি টান্সফার করার পর দুই ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালে করনা ইউনিট এ অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত প্রায় ৪ মাস পূর্বে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ৫১ লাখ ৬০ হাজার মিলিলিটারের লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্টের কাজ শুরু করা হয়। শ্রমিকরা গত দুই আড়াই মাস ধরে টানা কাজ করেছেন। লিকুইড অক্সিজেন স্থাপনের ভবন এবং অক্সিজেন সংরক্ষন করার ট্যাংকের কাজও সম্পন্ন করা হয়।

একই সাথে বেকওয়াম প্লান, কমরেষ্ট ইয়ার প্লান ও অটোমেটিক মেনিহোল কন্ট্রোল বোর্ডসহ অক্সিজেন প্লান্টের যত প্রকার কাজ রয়েছে তা এক দেড় মাস পূর্বেই সম্পন্ন করা হয়। মূল প্ল্যান্টটিতে তৈরি হবে ছয় হাজার লিটারের অক্সিজেন গ্যাস। যা অক্সিজেনে রূপান্তর হয়ে ৫১ লাখ ৬০ হাজার মিলিলিটারে দাঁড়াবে।

পূর্বে থেকে বর্তমানে সময়ে চাঁদপুরে করোনা ভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকি থাকায়। এতে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়, কুমিল্লা থেকে প্রায় প্রতিদিনই চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন আনতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। যার কারণে চাঁদপুরেই স্থাপন করা হয়েছে এই লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে প্ল্যান্টটি বসানোর কাজে অর্থায়ন করছে  ইউনিসেফ এবং বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

Share This post