• সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

কচুয়ায় সম্পত্তিগত বিরোধ নিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১

কচুয়া প্রতিনিধি ॥
কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামে জমির প্রকৃত মালিককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। ওই গ্রামের মৃত. আছমত আলীর ছেলে মো. খোরশেদ আলম এর পরিবারকে একই বাড়ির ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে কামাল হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমির খারিজ ও অন্যান্য কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রকৃত মালিক দাবিদার খোরশেদ আলম গংরা দখলকৃত জায়গা প্রতিপক্ষ কামাল হোসেন গংরা জোরপূর্বক দখল চেষ্টা করছে। জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামের অধিবাসী খোরশেদ আলম ২১নং বিতারা দূর্গাপুর মৌজার খতিয়ান খারিজ বিএস ৬২০৮ দাগে আগত ৫৭ খতিয়ানে ১৮ শতাংশ,আগত খতিয়ান ৪৮ খতিয়ানে ৩৩৫৫ দাগে ৪ শতক ও আগত খতিয়ান ৪৮, ৩৫২১ দাগে ৮ শতক সহ মোট ৩০ শতাংশ ভূমি পৈতৃকসূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ন ভাবে ভোগদখল করে আসছেন। পরবর্তীতে খোরশেদ আলম ২০১২ সালের ১৮ জুলাই উল্লেখিত দাগে তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম ও দুই পুত্র সজীব মিয়া ও রাজীব মিয়াকে হেবা মূলে ওই সম্পত্তি লিখে দেন। যার দলিল নং- ৬৩১২/১২। ওই সম্পত্তি বিতারা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কার্যালয়ে খারিজের জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র কর্মকার তাদের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে সঠিক হওয়ায় সুফিয়া বেগম,সজীব মিয়া ও রাজীব মিয়ার নামে বিগত ২২.০৯.২০২০ তারিখে খারিজ করে দেন। খারিজ অনুসারে সুফিয়া গংরা ৬২০৮ দাগে ১৮শতাংশ ভূমি খারিজ পায়। ভূমি খারিজ পাওয়ার ওই দাগের ১৮ শতাংশ থেকে ৯শতাংশ জমি কামাল নামের অপর আরেক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। পক্ষান্তরে কিছুদিন যেতে না যেতেই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র কর্মকার প্রতিপক্ষ কামাল হোসেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদপুর আদালতে দরখাস্ত নং- ৯৬৮/২০২০ এর তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে একটি মনগড়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এদিকে সম্পত্তির মালিক ওই সম্পত্তিতে দখলে যেতে চাইলে প্রতিপক্ষ কামাল হোসেন নিজেদের সম্পত্তি দাবি করে বিজ্ঞ আদালতে খোরশেদ আলম গংদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৯৬৮/২০২০ ইং। পাশাপাশি প্রতিপক্ষ কামাল হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানি ও মারধর করে প্রাননাশের হুমকি-ধমকি দেন। প্রকৃত পক্ষে ৬২০৮ দাগে কামাল হোসেন কোনো জমির মালিক নয় বলে খোরশেদ আলম গংরা দাবি করেন। তারা আরো জানান, কামাল হোসেন বিগত দিনে এলাকার কোনো সালিশ বৈঠক না মেনে ইচ্ছামতো যা ইচ্ছে তাই করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে আমার ছেলে সজীব,রাজীব ও স্ত্রী পরিবার নিয়ে অসহায় অবস্থায় রয়েছি। নিরীহ খোরশেদ আলম গংরা আরো জানান, আমরা জমির প্রকৃত মালিক হওয়া সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ কামাল হোসেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র কর্মকারের যোগসাজসে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের সম্পত্তি অন্যায় ভাবে ভোগ দখলের পায়তারা করছেন। আমাদের প্রকৃত সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসন,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাই। এদিকে অভিযুক্ত কামাল হোসেন ও মনগড়া রিপোর্ট দেয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র কর্মকারের বক্তব্য জানতে বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেসবুকে মানব খবর…