• শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে অনলাইন স্কুল কার্যক্রমে ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচন 

আপডেটঃ : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০

রাফিউ হাসানঃ
করোনার মহামারীতে স্থবির জনজীবন। গত চার মাসের উপর বন্ধ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরীক্ষা কীভাবে হবে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সন্তানদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধে উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল। এরই মাঝে আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে অনলাইন স্কুল। সরকারী কিংবা বেসরকারি শিক্ষকদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজ শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই পাচ্ছে কাঙ্খিত শিক্ষা।
লকডাউনে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই স্কুলের বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন ক্লাসকে। কিন্তু আমাদের অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর কাছেই স্মার্টফোন, ইন্টারনেট সংযোগ, অনলাইন ক্লাসের ভাবনা খানিক দিবা স্বপ্নের মত। সেখানে সরকারের লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে অনলাইন ক্লাসের কার্যক্রম কতটা আশার আলো দেখবে, তা সময় বলে দিবে?
সরকারি সহায়তা থাকলেও মূলত স্থানীয় শিক্ষকগুলোর নিজস্ব উদ্যোগেই বিভিন্ন এলাকায় চলছে অনলাইন ক্লাসের কার্যক্রম। প্রতিনিয়ত স্থানীয় মানুষের ভালোবাসায়, যত্নেই রমরমিয়ে চলছে এই সব অধ্যায় ভিত্তিক পাঠদান। দেশের লক্ষাধিক শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে প্রায় কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থী এই অনলাইন স্কুলে অংশ নিয়েছে।
অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীদেরই স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করার সামর্থ্য নাই বললেও চলে?? অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা ব্যবস্থায় আদৌ কি প্রযুক্তি সহায়তা করতে পারবে। নাকি সেটা শিক্ষার্থীদের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়াবে?
মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় একাংশের ছাত্রছাত্রীরা কার্যত লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়ারই মনস্থির করেছিল, এর উপর অর্থ আরেকটা বড় বাধা। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করেই দেশের একাধিক প্রত্যন্ত গ্রাম, উপজাতি এলাকায় শুরু হয়েছে অনলাইন স্কুল। এমনকি শিক্ষকরা নিজ উদ্যোগে পিছিয়ে পড়া এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে ছেলে মেয়েদের পাঠ দান করাচ্ছেন বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে এমন চিত্র কার্যতই আশা জোগাচ্ছে দেশবাসীকে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেসবুকে মানব খবর…