• মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

অবৈধ বালুমহাল, ঝুঁকিতে ডাকাতিয়া নদী ও ব্রীজ

আপডেটঃ : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০১৯
হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কে অবৈধ বালুবাহী ট্রাক ঝুঁকিতে যানবাহনসহ ডাকাতিয়া নদী ও ব্রীজ।

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কে ডাকাতিয়া ব্রীজ। খরস্রোতা ডাকাতিয়া নদী এখন মৃতপ্রায়। এই মরা নদীর উপর খাঁড়ার ঘাঁ। বালু ব্যবসায়ীর দখল প্রতিযোগিতায় ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে যাচ্ছে ডাকাতিয়া নদী।

সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডাকাতিয়া ব্রীজের কয়েকটি পিলারের ভীমের আংশিক ভেঙ্গে গেছে। বেকু ও ড্রেজার দিয়ে বালু সরবরাহ করায় ব্রীজটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ।

ডাকাতিয়া ব্রীজ ঘেঁষে গড়ে উঠা অবৈধ বালুমহাল। নয়টি বালুমহালের মাঝে মাত্র দুইজনের লীজ থাকলেও বাকী সাতজন অবৈধভাবে হরদম বালু ব্যবসা চালিয়ে আসছে। কর্তৃপক্ষ যেন নেই।

প্রতিবছর জেলা পরিষদ নদীর ঘাট ইজারা ও হাজীগঞ্জ পৌরসভা বালুমহালের ইজারা নিচ্ছে। কিন্তু এইসব ইজারা নিয়েও রয়েছে দ্বিমত।

গড়ে এই বালু মহালে দৈনিক ৬০ থেকে ৭০ ট্রাক বালু বিক্রি হচ্ছে। প্রায় ২৫টির মতো ট্রাক নিয়মিত ডাকাতিয়ার ব্রীজ ঘেঁষে বালু পরিবহণ করছে। ওইসব ড্রাম ট্রাকগুলোর ওজন প্রায় ৫৫ টন। এই আঞ্চলিক সড়কে ড্রাম ট্রাক চলাচলের অনুমোতি নেই। এতে করে প্রায় আধা কিলো সড়কের বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি এলেই ওই আধাকিলো সড়কে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়।

হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ও রান্ধুনীমুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া দিনভর এই সড়কে বাতাসে বালু উড়ে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

সফিক ট্রের্ডাসের মালিক সফিকুল ইসলাম বলেন, পৌরসভা প্রতিবছর টেন্ডার দেয়। কিন্তু এই আধা কিলো সড়ক মেরামত করে না।
আরেক ব্যবসায়ী সুইটি ট্রের্ডাসের মালিক ফজুলল হক বলেন, দুইজন ছাড়া কারো লীজ নাই। এখানে সরকার যখন চাইবে বাকীরা তাৎক্ষণিক জায়গা ছেড়ে দিতে হবে।
অতীব জরুরী সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদী রক্ষা ও কোটি টাকায় ব্যায়ে নির্মিত ডাকাতিয়া ব্রীজ রক্ষায় অবৈধ বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেসবুকে মানব খবর…