স্টাফ রিপোর্টার
মতলব দক্ষিণ উপজেলার  নায়েরগাঁও (উত্তর) ইউনিয়নের কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের ১২.৪৩ একর দিঘি একক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন মাছ চাষ করে যাচ্ছে মাসুদ পাটোয়ারী।হাতিয়ে নিচ্ছে স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা, সরজমিনে গিয়ে সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই দিঘী নিয়ে তিন পক্ষের মামলা, আদালতে চলমান, এরমধ্যে একপক্ষ হচ্ছে কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ, আদালতের অনুমতি ছাড়া এই দীঘি লিজ দেওয়া আইনত অপরাধ।
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কাঞ্চন রাজার প্রায় ১২.৪৩ একর দীঘিতে মাছ চাষ করে যাচ্ছে মাসুদ পাটোয়ারী।
মাসুদ পাটোয়ারী সাথে কথা বলে জানা যায়, এই দীঘি প্রথমবার পাঁচ লক্ষ টাকা, দ্বিতীয়বার সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা এবং বর্তমানে ১২  লক্ষ টাকা দিয়ে এই দিঘী শাহজাহান সরকার এর মাধ্যমে লিজ নেয়।কিন্তুু কাগজপত্রে কোন ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি মাসুদ পাটোয়ারী।
বর্তমানে ১২ লক্ষ টাকার ভিতরে সাত লক্ষ টাকা দিয়েছে শাজাহান সরকারকে, ৫০০০০ টাকা দিয়েছে রশিদ পাটোয়ারীকে, বাকি যে টাকা আছে আমি (মাসুদ পাটোয়ারি)কথা অনুযায়ী সময় মত পরিশোধ করে দিবো।
টাকার বিষয়ে শাহজাহান সরকার সাংবাদিকদের জানান, এই দীঘি ১২ লক্ষ টাকা  লিজ দেওয়া হয়েছে,মাসুদ পাটোয়ারী কে। মাসুদ পাটোয়ারী ২ লক্ষ টাকা কলেজ অধ্যক্ষের সামনে আমার হাতে দেয়, আমি এই ২ লক্ষ টাকা কাচিয়ারা কলেজের শিক্ষকদের বেতন দিয়ে দেই। মাসুদ পাটোয়ারী যে ৭  লক্ষ টাকার কথা বলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।  ২ লক্ষ টাকা শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার এই ব্যাপারে, কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, বিগত দিনের টাকা সহকারে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মতো হবে একটি মহল প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙ্গিয়ে, ক্ষমতার বলে হাতিয়ে নিচ্ছে, এই দীঘির কোন টাকা স্কুলের ফান্ডে কখনো জমা হয়নি।
এই ব্যাপারে উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহিম সাহেব বলেন, এত বড় দুর্নীতি হচ্ছে, এই ব্যাপারে কখনো আমাকে কেউ অবগত করেনি। আমাদেরকে প্রতিষ্ঠান অবগত করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সাধারণ জনগণের দাবি হচ্ছে এই প্রভাবশালী মহল কে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠানের টাকা ফেরত নেওয়া হোক, কোন কাগজপত্র ছাড়া মৌখিক লিজ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা।

Share This post